0201251735807594appweb-logo.png
Loading...

উদ্যোক্তা


প্রথম সিজনের অসাধারণ সফলতার পর শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশ আবার ফিরে এসেছে সিজন ২ নিয়ে। যা কিনা উদ্যোক্তাদের জন্য চমৎকার খবর! এরমধ্যে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদি আপনার কাছে একটি ব্যবসায়িক আইডিয়া থাকে অথবা এমন একটি ব্যবসা থাকে যা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা প্রয়োজন, তাহলে এটি আপনার সুযোগ। 

বাংলাদেশে প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীদের- যাদের আমরা "শার্ক" বলে জানি- তাদের সামনে আপনার আইডিয়া উপস্থাপন করুন এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পেয়ে আপনার ব্যবসাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যান।

শার্ক ট্যাঙ্ক বাংলাদেশে আবেদন করা খুবই সহজ, এবং আপনি সরাসরি https://apply.bongobd.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আপনি মোবাইল অথবা ডেস্কটপ, যেকোনো ডিভাইস ব্যবহার করেই আবেদন শুরু করতে পারবেন।

সহায়তার প্রয়োজন হলে, যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে অথবা আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে যোগাযোগ করুন sharktank@bongobd.com ইমেইল ঠিকানায়। 


নবীন উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এতে ১৫ জন নারী ও পুরুষ উদ্যোক্তা অংশ নিয়েছেন।  

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উদ্যোক্তারা আর্থিকভাবে সাবলম্বী হয়ে ওঠার সংগ্রামের গল্প বলেনে প্রধান উপদেষ্টাকে। চান বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ।

সামাজিক ব্যবসা প্রসারে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট থেকে পাওয়া বিনিয়োগ, কিভাবে শূন্য থেকে আর্থিক সাবলম্বী হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছে, সে সবের বর্ণনা দেন উদ্যোক্তারা। এজন্য প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তারা।  

বৈঠকে অংশ নেওয়া উদ্যোক্তাদের অধিকাংশই গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট ও গ্রামীণ ট্রাস্ট থেকে বিনিয়োগ নিয়ে ব্যবসা করছেন। তাদের কেউ কেউ ষষ্ঠ ও পঞ্চমবারের মতোও বিনিয়োগ পেয়েছেন।  

উদ্যোক্তাদের সংগ্রামের গল্প শুনে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি তাদের কাছে উদ্যোক্তাদের জন্য আরও কী কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে জানতে চান।

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আপনাদের জীবনের গল্পগুলো ভীষণ অনুপ্রেরণাদায়ক। আমাদেরকে পরামর্শও দিন। আরও কী কী হলে উদ্যোক্তাদের জন্য ভালো হয় তা আমাদের বলুন।

বৈঠকে উদ্যোক্তারা গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট ও গ্রামীণ ট্রাস্টের সামাজিক ব্যবসা প্রসারে নবীন উদ্যোক্তাদের জন্য গৃহীত কর্মসূচির প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর পরামর্শ দেন। তারা বলেন, বেশিরভাগ লোকেরাই এই উদ্যোগগুলো সম্পর্কে জানে না। প্রচার-প্রচারণা বাড়ালে অনেক দরিদ্র লোক উপকৃত হবেন।

বিনিয়োগের পাশাপাশি উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্যও প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহ্বান জানান উদ্যোক্তারা।