0201251735807594appweb-logo.png
Loading...

ফুটবল


ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ফুটবলার হামজা চৌধুরী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে লাল-সবুজ জার্সিতে অভিষেকের অপেক্ষায়।

ছবি : হামজা চৌধুরী।

প্রবাসী এই ফুটবলারকে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা মনে করেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। হামজার মতো আরও প্রবাসী ফুটবলার দলে চান জামাল।

হামজাকে নিয়ে ২৫ মার্চ এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে প্রথম ম্যাচটা জিততে চায় বাংলাদেশ। হামজা দক্ষিণ এশিয়ার সেরা ফুটবলার, এমনটাই মনে করেন জামাল। এই বিষয়ে জামাল বলেন, ‘আমি মনে করি, হামজা চৌধুরী কেবল আমাদের দলেরই সেরা খেলোয়াড় নন, তিনি দক্ষিণ এশিয়াতে সেরা। তার মতো খেলোয়াড় যোগ দিলে দল আরো উজ্জীবিত হবে। এই ম্যাচে অবশ্যই আমরা ভালো কিছু আশা করি। যদি হেড টু হেড হিসাব করি তাহলে মনে করি, ভারতের সাথে আমাদের অনেক বড় পার্থক্য আছে। তবে, আমরা প্রত্যাশা করছি একটা ইতিবাচক ফল। অবশ্যই আমরা ভারত থেকে তিন পয়েন্ট নিতে চাই।’

প্রবাসী ফুটবলার ফাহমেদুল প্রসঙ্গে জামাল বলেন, ‘তাকে দলের সাথে মানিয়ে নিতে হবে। আমি আসলেই তাকে চিনি না। তাই তার সম্পর্কে তথ্য দিতে পারবো না। কোচ তাকে পছন্দ করেছেন। অবশ্যই সে ভালো খেলোয়াড়। তাকে আগে আমাদের সাথে মানিয়ে নিতে হবে, তারপর আমরা দেখবো কী হয়।’

প্রবাসী ফুটবলারদের প্রসঙ্গে জামাল বলেন, ‘প্রবাসী খেলোয়াড়দের আসা একটা ইতিবাচক দিক। বিদেশ থেকে অনেক খেলোয়াড় আসছেন। যারা বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চান, বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চান। এটা ইতিবাচক দিক। আমি চাই আরও বেশি প্রবাসী এলে ভালো। কারণ, অন্যান্য দেশ একই কাজ করছে। যদি দেখেন ফরাসি দলের দিকে, ওরা কিন্তু অনেক বিদেশি নিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।


দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের আসর খুব বাজেভাবে শুরু করেছিল ব্রাজিল। তবে কথায় আছে শেষ ভালো যার, সব ভালো তার।

সেটাই প্রমাণ করেছে সেলেসাওরা। চির-প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে ৬-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল। এরপর গ্রুপ পর্বের খেলায় কলম্বিয়ার বিপক্ষেও হেরেছিল। সেই ব্রাজিল কিনা আসরের চূড়ান্ত পর্বে এসে এখন সবার ওপরে!

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ব্রাজিল ৩-১ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়েকে। সেলেসাওদের হয়ে গোলের দেখা পেয়েছেন গুস্তাভো প্রাদো, রায়ান এবং আলিসন সান্তানা। অন্যদিকে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়াকে।


এই জয়ে ফলে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গাও নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে চিলিতে অনুষ্ঠিত হবে যুবা বিশ্বকাপ।

চূড়ান্ত পর্বে ব্রাজিলের মতো আর্জেন্টিনাও জিতেছে তিনটি ম্যাচ। দুই দলেরই পয়েন্ট ৯। কিন্তু গোল ব্যবধানে থাকায় টেবিলের শীর্ষস্থান দখলে নিয়েছে ব্রাজিল। 

এবারের আসরে কোনো ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে না। যে দল টেবিলের শীর্ষে থেকে আসর শেষ করবে, তারাই হবে চ্যাম্পিয়ন। আগামী শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) অলিখিত ফাইনালে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।
 


লিওনেল মেসির ছেলে কি একদিন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামবেন? এই প্রশ্নটি হয়তো অবাস্তব শোনায়, তবে সম্প্রতি এটি আলোচনায় এসেছে। 

ছবি:পরিবারের সাথে লিওনেল মেসি (সংগৃহীত)|

যুক্তরাষ্ট্র বনাম ভেনেজুয়েলার প্রীতি ম্যাচের আগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ইউএসএমএনটি কোচ মাওরিসিও পচেত্তিনোর কাছে এমন একটি অদ্ভুত প্রশ্ন করা হয়। সাংবাদিক জানতে চান, ‘আমরা মিয়ামিতে আছি, আপনি কি যাওয়ার আগে মেসির ছেলেদের সঙ্গে কথা বলে তাদের যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে খেলতে রাজি করাবেন?’

পচেত্তিনো প্রথমে এই প্রশ্নকে হালকা মেজাজে নেন। তিনি হেসে বলেন, ‘না, না। একেবারেই না। মেসিকে দলে নেওয়া তো সবার স্বপ্ন। কিন্তু আপনি যদি তার ছেলেদের কথা বলেন, তাহলে হয়তো আলাপ করা যেতে পারে। তবে সত্যি বলতে, আমি তখন অনেক বুড়ো হয়ে যাবো। তাই হয়তো সেই সময় আমি কোচ থাকব না।’

সাংবাদিকদের এই প্রশ্ন মজার ছলে করা হলেও পচেত্তিনোর উত্তর বাস্তবসম্মত ছিল। মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসি বর্তমানে ১২ বছর বয়সী এবং ইতোমধ্যেই ইন্টার মিয়ামির যুব দলে খেলছেন। দ্বিতীয় সন্তান মাতেও ৯ বছর বয়সী, আর ছোট ছেলে সিরো মাত্র ৬ বছর বয়সী। সুতরাং, তাদের জাতীয় দলের হয়ে খেলার বিষয়টি এখনো অনেক দূরের ব্যাপার।

তবে জাতীয় দলের বিষয়টি এলে মেসির ছেলেদের সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মেসি ও তার স্ত্রী দুজনই আর্জেন্টাইন, যার ফলে তাদের আর্জেন্টিনার হয়ে খেলার যোগ্যতা রয়েছে। তবে তারা জন্মসূত্রে স্প্যানিশ নাগরিক হওয়ায় স্পেনের হয়ে খেলাও তাদের জন্য সম্ভব। আর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করায় তারা চাইলে ইউএসএমএনটির জার্সিও পরতে পারবেন।

পচেত্তিনো ও মেসির মধ্যে রয়েছে একটি বিশেষ সংযোগ। প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের (পিএসজি) কোচ থাকার সময় পচেত্তিনো মেসিকে কোচিং করিয়েছিলেন। তাদের নেতৃত্বে পিএসজি ২০২১-২২ মৌসুমে লিগ শিরোপা জিতেছিল। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ব্যর্থতার কারণে সে সময় পচেত্তিনোকে ক্লাব ছাড়তে হয়।

মেসির ছেলেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে মজার ছলে আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরে—তারা একদিন কোন দেশের হয়ে মাঠে নামবেন? যদিও এখনো অনেক সময় বাকি, তবে এ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে আগ্রহ থাকবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।


আরও চার বছরের জন্য রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। ৭৭ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ২০২৯ সাল পর্যন্ত রিয়ালের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছে ক্লাবের নির্বাচনী বোর্ড। 

২০০৯ সাল থেকে শুরু করে এ নিয়ে পঞ্চমবার ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাবটির প্রধান নির্বাচিত হলেন পেরেজ।আগের চারবারের মতো এবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন পেরেজ। গতকাল রাতে লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদ-লা পালমাস ম্যাচের পর ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নির্বাচনে একজনই প্রার্থী থাকায় রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেরেজের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।’

পেশায় ব্যবসায়ী পেরেজ রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট হলেন এবারসহ ষষ্ঠবার। প্রথমবার ২০০০ সালে দায়িত্ব নিয়ে ২০০৬ সালে পদত্যাগ করেছিলেন। ২০০৯ সাল থেকে টানা দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া পেরেজ গত ৭ জানুয়ারি ক্লাবের ইলেকটোরাল বোর্ডকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করতে অনুরোধ জানান।

১০ দিন পর একমাত্র প্রার্থী হিসেবে পেরেজের প্রার্থিতা অনুমোদন করা হয়। রিয়াল মাদ্রিদের বাইলজ অনুসারে, বিকল্প প্রার্থী না থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

পেরেজের দুই দফার পাঁচ মেয়াদে রিয়াল মাদ্রিদের ফুটবল ও বাস্কেটবল দল মোট ৬৫টি ট্রফি জিতেছে। এর মধ্যে আছে ৭টি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ৩টি ইউরো লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেরেজই শতবর্ষের পুরোনো এই ক্লাবের সবচেয়ে সফল প্রধান। যদিও সময়ের দিক থেকে তাঁর চেয়েও বেশি সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যু। ১৯৪৩ থেকে ১৯৭৮ সালের ২ জুন মৃত্যু পর্যন্ত টানা ৩৪ বছর ২৬৪ দিন রিয়ালের প্রেসিডেন্ট ছিলেন বার্নব্যু। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সময় কাটানো পেরেজ এরই মধ্যে ২০ বছর পেরিয়েছেন।


রাতটা ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের। তার জোড়া গোলে পালমাসকে ৪-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে পালমাসকে আতিথ্য দেয় রিয়াল। নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভিনিসিয়ুসকে ছাড়াই খেলতে হয় লস ব্লাঙ্কোসদের। ম্যাচে রিয়ালের হয়ে একটি করে গোল করেন ডিয়াজ ও রদ্রিগো।

আগের দিন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হার ও বার্সেলোনার ড্রয়ের পরই টেবিল টপার হওয়ার দারুন সুযোগ পায় রিয়াল। সেই সুযোগ হাতছাড়া করেনি এমবাপ্পেরা।

ম্যাচের একদম প্রথম মিনিটেই ফাবিও সিলভার গোলে লিড নেয় পালমাস। তবে, ১৮ মিনিটে রদ্রিগোকে ডি বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় রিয়াল, স্পট কিকে গোল শোধ দেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।

এরপর ৩৩ মিনিটে রিয়াল লিড পায়  ব্রাহিম ডিয়াজের পায়ে। তিন মিনিট পর রদ্রিগোর দেয়া পাসে এমবাপ্পের গোলে ৩-১ এ এগিয়ে যায় লস ব্লাঙ্কোসরা। ৩-১ এ লিড নিয়ে বিরতিতে যায় রিয়াল।

দ্বিতীয়ার্ধের ১২ মিনিটে এমবাপ্পের করা অ্যাসিস্টে গোলের দেখা পান রদ্রিগো। তাতেই ৪-১ গোলের লিড পায় রিয়াল। ৬২ মিনিটে ভাস্কেসকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে রামিরেস মাঠ ছাড়লে দশ জনের দলের পরিণত হয় পালমাস।

এরপর আর গোল না হলে শেষ পর্যন্ত ৪-১ এর জয়ে মাঠ ছাড়ে লস ব্লাঙ্কোসরা। আর তাতেই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে টপকে এখন ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষে আনচেলত্তি শিষ্যরা। ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে বার্সা।