0201251735807594appweb-logo.png
Loading...

শিক্ষা


রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম 'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি' চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ছবি:ইউজিসিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইউজিসি চেয়ারম্যানসহ অন্যদের এক সভা হয়েছে।

রোববার (১৬ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে শিক্ষার্থীদের ৩২ সদস্যের প্রতিনিধিদলের আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়টির এ নাম চূড়ান্ত করা হয়।

সভা শেষে ইউজিসির সচিব ড. ফখরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্য থেকে সাত কলেজের জন্য 'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি' নামটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে উপদেষ্টা পরিষদে পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সম্মতিক্রমে এর অধ্যাদেশ জারি করা হবে।


সাতটি সরকারি কলেজ হচ্ছে: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

এসব কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। শিক্ষক এক হাজারের বেশি। এ কলেজগুলোতে প্রতি সেশনে প্রায় সাড়ে ২১ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হন। 

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির আগে সাত কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত ছিল।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এসব কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।

২০১৪ সালের আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ফের অধিভুক্তি পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। ২০১৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সাত কলেজকে পুনরায় ঢাবির অধিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাত কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাবির অধিভুক্ত হয়।

তবে পরবর্তী সময়ে কলেজগুলো পরিচালনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম ও  অদূরদর্শিতার অভিযোগে আন্দোলনে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। সাত কলেজকে নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবি জানান। 

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয়, ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এসব কলেজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে না। পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের জন্য গত বছরের ডিসেম্বরে  বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। 

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সাত কলেজের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের জন্য লক্ষ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের কাছে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আহ্বান করে ইউজিসি। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ইউজিসির ডাকা মতবিনিময় সভায় নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম চূড়ান্ত হয়েছে 'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি'।


সরকারি সাতটি বড় কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন থাকছে না, সেই সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে আগেই। এই কলেজগুলোর জন্য পৃথক একটি বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা করছে সরকার। কিন্তু সেই বিশ্ববিদ্যালয় না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তত্ত্বাবধানে একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীন চলবে এই সাত কলেজের কাজ।

এই কাঠামোর পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন এই সাত কলেজের যেকোনো একজন অধ্যক্ষ। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর, ভর্তি দপ্তর, রেজিস্ট্রার দপ্তর এবং হিসাব দপ্তরের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।

ইউজিসির এমন সুপারিশ বাস্তবায়ন করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অনুরোধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২ মার্চের এক চিঠিতে এ অনুরোধ করা হয়েছে। জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার একজন কর্মকর্তা গতকাল সোমবার এই অনুরোধপত্র দেওয়ার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন।

ঢাকার এই সাত সরকারি কলেজ হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ। এই কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী প্রায় দুই লাখ। শিক্ষক এক হাজারের বেশি।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি কলেজগুলোকে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় রাজধানীর এই সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও পরীক্ষা, মানসম্মত শিক্ষাসহ অন্য সমস্যা সমাধান পুরোপুরি হয়নি। ফলে বারবার আন্দোলনে নেমেছেন এই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সাত কলেজে চলতি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তাদের অধীন ভর্তি না করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ নিয়ে চলতি শিক্ষাবর্ষের ভর্তির কার্যক্রম জটিলতার মুখে পড়ে। এরই মধ্যে এই সাত কলেজের জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা নেয় সরকার। যার রূপরেখা নিয়ে কাজ করছে ইউজিসি। প্রাথমিকভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’ করার প্রস্তাব করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজের নেতৃত্বাধীন কমিটি। যদিও এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। উপরন্তু তারা আরও নাম প্রস্তাবের আহ্বান করেছে। তবে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই সাত কলেজ কীভাবে চলবে, তার একটি রূপরেখার প্রস্তাব করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ইউজিসি। সেটিই এখন বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুরোধ করেছে মন্ত্রণালয়।

ইউজিসির সুপারিশপত্রে বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন চলমান শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বর্তমান ব্যবস্থাই চালু রাখবে। আর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের যাবতীয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে চলবে। একটি সনদপ্রাপ্ত পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বা সমকক্ষ প্রতিষ্ঠান না হওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে এ কাঠামোর অধীন চলবে এই সাত কলেজের কাজ। এই কাঠামোর কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে হবে। এ ক্ষেত্রে এই কাঠামোর পরিচালক হিসেবে যে কলেজের অধ্যক্ষ কাজ করবেন, সেই কলেজে এই কাঠামোর কার্যালয় হবে। কাঠামোর অধীন সব হিসাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা ব্যাংক হিসাবে পরিচালিত হবে।

এ কাঠামোর রূপটি কেমন হবে, সেটিরও প্রস্তাব করে দিয়েছে ইউজিসি। এতে বলা হয়েছে, এই কাঠামোয় ইউজিসির একজন সদস্যের নেতৃত্বে নজরদারি সংস্থা থাকবে। এই নজরদারি সংস্থায় পরিচালক হিসেবে থাকবেন এই সাত কলেজের মনোনীত যোগ্য ও প্রশাসনিক কাজে অভিজ্ঞ একজন অধ্যক্ষ। ইউজিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ হতে পারেন এই পরিচালক।

ইউজিসি বলছে, এই কাঠামোয় শিক্ষার্থীসংক্রান্ত প্রশাসনিক কার্যক্রমের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের প্রতিনিধি থাকবেন। এ ছাড়া পরীক্ষা ও হিসাবসংক্রান্ত কাজের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের প্রতিনিধিরা থাকবেন। আর ভর্তির জন্য থাকবেন অনলাইন ভর্তি কমিটি।

প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন নিতে হবে। এ ছাড়া সাত কলেজের ভর্তি, পরীক্ষা ও অন্য কার্যক্রমের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য নিজ নিজ কলেজের অধ্যক্ষের নিয়ন্ত্রণে ‘হেল্প ডেস্ক’ থাকবে। ইউজিসি এই কাঠামোর বিষয়ে সময়ে সময়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবে।


পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ছুটিসহ প্রায় ৪০ দিন বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে এ ছুটি।

সরকারি ও বেসরকারি সব স্তরের স্কুলে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ ছুটি। শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে, রমজান মাস, শুভ দোলযাত্রা, স্বাধীনতা দিবস, জুমাতুল বিদা, শবে কদর এবং ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলিয়ে ২ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

২৮ ফেব্রুয়ারি এবং ১ মার্চ শুক্র ও শনিবারের ছুটি থাকায় সর্বশেষ ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২৭ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। অর্থাৎ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মোট ৪০ দিন বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, তাই যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে, সেগুলোর জন্য ছুটি আরো দীর্ঘ হবে।


সাংবাদিক ও লেখক কাজী ইমরুল কবীর সুমন মতিঝিল সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের আলোচিত, বরেণ্য মেধাবী, নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়া একশত প্রাক্তন শিক্ষার্থী লেখককে এক মলাটে জড়ো করেছেন ‘সেরা ১০০ সেন্ট্রালিয়ান’ বইয়ের মাধ্যমে।

রাজধানী ঢাকার অন্যতম সেরা স্কুল মতিঝিল সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। পাকিস্তান আমলে ঢাকায় এটিই ছিল কেন্দ্রীয় সরকারি স্কুল। তাই শিক্ষাঙ্গনে এখনও পরিচিতি ‘সেন্ট্রাল গভ. স্কুল’ হিসেবে। সাবেক শিক্ষার্থীরাও নিজেদের সেন্ট্রালিয়ান পরিচয় দেন সগৌরবে।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের লেখার সমন্বয়ে ভিন্নধর্মী এই বইয়ে ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রাম, ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লব এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের লেখায় এই বইতে ঠাঁই পেয়েছে। স্কুলের মাঠ রক্ষার চলমান আন্দোলন নিয়েও আলোকপাত করা হয়েছে বইটিতে। নতুন প্রজন্মের কাছে স্কুলের সেরাদের পরিচিত করে দেওয়ার জন্যই এই প্রচেষ্টা।

বাংলা একাডেমির একুশে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ‘সেরা ১০০ সেন্ট্রালিয়ান’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ, বাংলাদেশের সাবেক দ্রুততম মানবী এবং মতিঝিল সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুলের ১৯৬৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী রওশন আখতার ছবি বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় নেপালের কাঠমুন্ডু সাফ গেমস জয়ী বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ডিফেন্ডার মতিঝিল সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট বয়েজ হাই স্কুলের ১৯৮৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু ফয়সাল আহমেদ, ১৯৮৩ ব্যাচের কবি শাহনাজ পারভীন মিতা, সৈয়দা শাহিনা হায়দার, হিসান খাতিব খান বাবু, মাকসুদ হোসেন, মাহিন খান রাজসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইমরুল সুমন জানান, মতিঝিল সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হাই স্কুল/মতিঝিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় সব তথ্য পাওয়া যাবে বইটিতে। সেই সঙ্গে এই স্কুলের বরেণ্য ১০০ গুণী প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, কণ্ঠশিল্পী, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, কণ্ঠশিল্পী, সংগঠক, খেলোয়াড়ের কথা পাওয়া যাবে এক মলাটে। এই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের যারা বিভিন্ন পেশায় থেকেও সাহিত্য চর্চায় জড়িত তাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এই ১০০ জনের তালিকায়।

পূর্ব পাকিস্তানে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ১৯৫৮ সালে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের ক্লাস শুরু। প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪ বছরের মাথায় প্রবেশিকা পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় দু’টি স্থান দখল করে নেয় স্কুলটি। ১৯৬২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শেষ প্রবেশিকা পরীক্ষায় সারা দেশে মেধা তালিকায় প্রথম হন এই স্কুলেরই আব্দুল মঈন খান। এই তালিকায় সর্বশেষ ২০তম স্থান পান মো. আবুল বাশার। ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়া স্কুলটির সেরা হওয়ার লড়াই ছিল শুরু থেকেই। সেটাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেন আব্দুল মঈন খান ও মো. আবুল বাশার। বাংলাদেশ আমলে আশিষ কুমার কীর্ত্তনিয়া ১৯৮২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় এই স্কুল থেকে সারাদেশে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম হন।

৬৭ বছরে এই স্কুল দেশ বরেণ্য ব্যক্তি উপহার দিয়েছে। সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ও মির্জ আব্বাস , প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম, হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সাবেক প্রধান মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. কানিজ মাওলা, এসএসসির মেধাতালিকায় স্ট্যান্ড করা এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের ধাত্রীবিদ্যা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. আনোয়ারা বেগম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এএফএম ইউসুফ হায়দার, বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সভাপতি ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ উইং কমান্ডার (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ ও দেশের দ্রুততম মানবী কোয়েল, কামরুন্নেসা লিপি, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ নাজমুল আবেদীন ফাহিম, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. মঈনুদ্দীন আব্দুল্লাহ, গণপূর্তের সাবেক চিফ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল শাফি, নজরুল ইন্সটিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ইকরাম আহমেদ লেনিন, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, রন্ধন বিশেষজ্ঞ কেকা ফেরদৌসী, বিশ্বকাপ খেলা ক্রিকেটার এহসানুল হক সিজান, কণ্ঠশিল্পী কাদেরী কিবরিয়া, লীনু বিল্লাহ, শিমুল ইউসুফ, সালমা সুলতানা, শাকিলা জাফর, শাহনূর রহমান লুমিন এই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন।


রাজধানীর সরকারি সাতটি বড় কলেজের জন্য পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এবার জানা গেল, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হতে পারে ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’।

এই নাম প্রস্তাব করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজের নেতৃত্বাধীন কমিটি। শিক্ষার্থীরা চাইলে এই নামটি গ্রহণ করা হতে পারে।

বৃহস্পতিবার ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজসহ এ-সংক্রান্ত কমিটির তিন সদস্য শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই এই নাম প্রস্তাব করা হয়।

এ বিষয়ে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ জানান, কয়েকটি নামের মধ্যে ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’ নামটি তাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। শিক্ষা উপদেষ্টাও এই নামের প্রশংসা করেছেন। তবে ছাত্ররা যেটা বলবে, সেটাই চূড়ান্ত হবে।

এই সাত সরকারি কলেজ হলো ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ। এসব কলেজে শিক্ষার্থী প্রায় দুই লাখ। শিক্ষক এক হাজারের বেশি।

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার এই সাত কলেজকে আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এসব কলেজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে না।

সরকারি এই সাতটি বড় কলেজের জন্য পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ জন্য ইউজিসির মাধ্যমে একটি কমিটি কাজ করছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে ইউজিসি এই সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠকও করেছে। এখন আজকে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে সম্ভাব্য নাম নিয়েও আলোচনা করেছে কমিটি। এর পাশাপাশি এই সাত কলেজের জন্য অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন নিয়েও আলোচনা চলছে।
 


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অনাবাসিক ছাত্রীরা আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তিন হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ছবি :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (সংগৃহীত)|

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত হ‌ওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

 অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘যেসব নারী শিক্ষার্থী হলে থাকার যোগ্য কিন্তু আমরা তাদের সিট দিতে পারছি না তাদেরকে প্রতি মাসে তিন হাজার করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। মেয়েদের পাঁচটি হলে যারা নতুন করে আবেদন করেছে তাদের মধ্যে থেকে অনেককেই সিট দিয়েছি। কিন্তু যাদের দিতে পারিনি তাদের যাচাই-বাছাই করে এই আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘মেয়েদের হল নতুন নির্মাণের জন্য যে প্রকল্প নেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়ন হতে প্রায় তিন বছর সময় লাগবে। তাই আমরা ঢাবির আশেপাশে বিভিন্ন হোস্টেলগুলোতে খবর নিয়ে জানতে পেরেছি, একটা সিটের জন্য অন্তত ২৫০০ টাকার মতো লাগে। তাই আমরা তিন হাজার করে টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি হল থেকে যাচাই-বাছাই করে একটা তালিকা করা হবে। সেই অনুসারে এই সহায়তা প্রদান করা হবে।’


খুলনা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশন (কুআ)-র সদস্যদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছে বিআরবি হাসপাতাল। ল্যাব টেস্ট, হেলথ চেকআপসহ নানা ক্ষেত্রে এ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন কুআ'র সদস্যরা। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে এসব সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়। কুআ'র যে কোন সদস্য নিয়মিত সেবামূল্যের চেয়ে কমে (20% Discount on Lab Services, 15% Discount on Radiology and Imaging for both OPD and IPD Services. 10% Discount on bed charges) বিআরবি হাসপাতাল থেকে এই সেবা নিতে পারবেন। এছাড়া, হেলথ চেকআপসহ অন্যান্য সেবায়ও ছাড় পাওয়া যাবে। কুআ'র মেম্বারশিপ কার্ড প্রদর্শন করে অ্যালামনাইগণ এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এই সুবিধা নিতে পারবেন। 

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিআরবি হাসপাতালের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. জামিল আহমেদ, কুআ'র পক্ষে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকতার হোসেনসহ আরো অনেকে।


বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার উদ্যোগে শুরু হয়েছে নববর্ষ প্রকাশনা উৎসব-২০২৫।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) সকালে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক মো.রেজাউল করিম,পিএইচডি।বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মোট ১১টি স্টল সাজিয়েছে তারা। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রকাশনা উৎসব চলবে। স্টল ঘিরে এদিন সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের ভিড় দেখা যায়।

এদিন সকালে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনকালে বিশ্ববিদ্যালের কোষাধ্যক্ষ ড. সাবিনা শারমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. বেলাল হুসাইন এবং শাখা শিবিরের সভাপতি আসাদুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ শিশির মনিরসহ শাখার অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ড. সাবিনা শারমিন বলেন, প্রকাশনা উৎসব শিবিরের একটি ক্রিয়েটিভ আইডিয়া। আশা করি ভবিষ্যতেও ছাত্র শিবির এই ধরনের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে। শিক্ষার্থীরা এই ধরনের অনুষ্ঠান থেকে উপকৃত হবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, পিএইচডি বলেন, এখানে বিভিন্ন নৈতিক বই রয়েছে, বই মানে পড়া,পড়া মানে জ্ঞান, এটাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মূল উদ্দেশ্য। ছাত্র আমরা চাই অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলোও আয়োজন করুক।


কমনওয়েলসভুক্ত দেশের জন্য অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির বৈদেশিক বিষয় ও বাণিজ্য বিভাগে এ বৃত্তি দেয়া হয়। এই বৃত্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য, ডেভেলপমেন্ট, পরিবেশ, সাসটেইনেবিলিটি, ট্রেড, পাবলিক পলিসি, অর্থনীতি, গভর্ন্যান্স, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্লু ইকোনমিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে। 

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপের আবেদন শুরু। বাংলাদেশিসহ বিশ্বের আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

২০২৫ সালের জন্য বিশ্বের ৫৫টি দেশের ১ হাজার ৫৫১ জন অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ পাবেন। ২০২৩–২০২৪ প্রোগ্রামে অস্ট্রেলিয়া ২৭০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে এ বৃত্তির জন্য।

অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ ভিসায় যেসব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে:

> সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ
> বই ও পড়াশোনার আনুষঙ্গিক জিনিসের খরচ
> বিমানে ইকোনমি ক্লাসে যাতায়াতের টিকিট
> বসবাসের খরচ ও স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা
> কোর্স ভেদে ফিল্ডওয়ার্কের সুযোগ-সুবিধাও আছে।

আবেদনের যোগ্যতা:

> ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশের নাগরিকেরা আবেদন করতে পারেন
> অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব যাদের রয়েছে তারা আবেদন করতে পারবেন না
> অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকের সঙ্গে বাগদান বা বিবাহিত হলে আবেদন করা যাবে না
> কোনো সামরিক সেবার সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে না
> আইএলটিএস স্কোর কমপক্ষে ৬ দশমিক ৫ হতে হবে এবং প্রতিটি ব্যান্ড স্কোর হতে হবে ৬ অথবা ইন্টারনেট টেস্টে টোয়েফলে স্কোর কমপক্ষে ৮৪ (আইবিটি) কিংবা পিটিই অ্যাকাডেমিক স্কোর ৫৮।

আবেদনপদ্ধতি:

আবেদনের বিস্তারিত জানা যাবে ‌অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপের ওয়েবসাইটে। এখানে ক্লিক কর বিস্তারিত জানুন।


আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে বেছে নিতে বিভিন্ন স্কলারশিপ অফার করছে দেশটি। সে ধারাবাহিকতায় শুরু হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় ম্যাককুয়ারি ইউনিভার্সিটি রিসার্চ স্কলারশিপ ২০২৫-এর আবেদন প্রক্রিয়া। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সম্পূর্ণ অর্থায়িত এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

সুযোগ-সুবিধা:

নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, তিন বছরের জন্য শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। উপবৃত্তি হিসেবে প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের ৩৫ হাজার ডলার দেয়া হবে। থাকছে ভ্রমণ ভাতাও।

আবেদনের যোগ্যতা:

স্নাতকোত্তরে আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। পিএইচডি ডিগ্রির জন্য আবেদনে আগ্রহীদের অবশ্যই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। প্রার্থীদের গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য:

আবেদন করতে এসব নথির প্রয়োজন রয়েছে—সিভি, বৈধ ভিসা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, ডিগ্রি সার্টিফিকেট, নাগরিকত্বের সনদ, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা সনদ ও গবেষণা প্রস্তাবনা।

আবেদন পদ্ধতি:

ম্যাককুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা বৃত্তিটি এ লিংকে গিয়ে বিস্তারিত দেখা যাবে ও অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২ মার্চ ২০২৫।


এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রের, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা.সায়েদুর রহমান। আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ছবি: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা.সায়েদুর রহমান।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, কোটা বাতিলের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে আদালত থেকে যে রায় দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মূল পরিবর্তন হলো নাতি-নাতনির পরিবর্তে পরবর্তী প্রজন্মের বদলে সন্তান বলা হয়েছে। অতএব কোটার বিষয়টিতে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে এটা একটা নীতিগত সিদ্ধান্ত। এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষাও প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী হয়েছে। 

ডা. সায়েদুর রহমান আরও বলেন, এই ১৯৩ জনের মধ্যে খুবই আনইউজুয়াল হবে যাদের বয়স ৬৭-৬৮ এবং যাদের সন্তান থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। সেখানে যদি কোনো ত্রুটি ধরা পড়ে তাহলে সেটা দেখা হবে। এমবিবিএস পরীক্ষায় মূল কোটা থাকবে কি থাকবে না এই নীতিগত সিদ্ধান্তটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নয়, এটি রাষ্ট্রের। আগামী ২৭, ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি যাচাই করা হবে।
 


২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল রবিবার (১৯ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় এক লাখ ৩১ হাজার ৭২৯ জন অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৬০ হাজার ৯৫ জন। তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন সুশোভন বাছাড়।  

 জাতীয় মেধায় শীর্ষ ১০ জনের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সুশোভন বাছাড়। তার প্রাপ্ত নম্বর ৯০.৭৫। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন চট্টগ্রাম কলেজের মো. সানজিদ অপূর্ব বিন সিরাজ, ভর্তি পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত স্কোর ৯০.৫০। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন করেছেন শেখ আব্দুল ওহাব মডেল কলেজের শেখ তাসনিম ফেরদাউস। তিনি পেয়েছেন ৮৯.৫০ নম্বর। চতুর্থ স্থান অর্জন করেছেন দিনাজপুর সরকারি কলেজের মো. আবুল ফাইয়াজ। পঞ্চম স্থান অধিকার করেছেন হলিক্রস কলেজের সুমাইয়া জাহান। মেধা তালিকায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন নটরডেম কলেজের মো. আফতাব আহমেদ জয়। সপ্তম স্থান অধিকার করেছেন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মো. মারহামাতুল করিম। অষ্টম স্থান অধিকার করেছেন নটরডেম কলেজের মো. ফাইজুর রহমান। নবম স্থান অধিকার করেছেন হলিক্রস কলেজের তাসনিমা তাবাসসুম এবং দশম স্থান অধিকার করেছেন রংপুর পুলিশ লাইনস কলেজের এস এম মুনতাসীর মোস্তাফিস। 

‘বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল’ কর্তৃক প্রণীত নীতিমালার শর্তানুযায়ী ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ও এসএসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ থেকে প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে মেধা ও পছন্দক্রম অনুযায়ী ৫ হাজার ৩৭২ পরীক্ষার্থীদের ৩৭ সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চল ব্যতীত দেশের সমতল অঞ্চলের উপজাতীয় কোটার শিক্ষার্থীদের তালিকা কোটার স্বপক্ষে সনদ বা প্রমাণসমূহ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাইয়ের পর প্রকাশ করা হবে।


২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের জন্য ৬০ হাজার ৯৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।পাসের হার ৪৫ দশমিক ৬২ শতাংশ।

ছবি: সংগৃহীত।

রবিবার বিকালে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। ফলাফলে দেখা গেছে, ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য ৫ হাজার ৩৭২ জন পরীক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তির পরীক্ষা গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এবার কোটাসহ মেডিকেলে মোট আসন ৫ হাজার ৩৮০টি।

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। তাছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটেও ফলাফল বিষয়ক তথ্য প্রকাশ করা হবে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তায়ও ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
 


ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো ২০২৫। বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য এ মেলার আয়োজন করে, স্টুডেন্ট কন্সালটেন্সি প্রতিষ্ঠান লুমোস গ্লোবাল

 

প্রতিষ্ঠানের বনানী অফিসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় শ’খানেক শিক্ষার্থী। উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ২০ এর অধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সুবিধা সম্পর্কেও বিস্তারিত তুলে ধরেন তারা। গত বছর, দশ হাজারেরও অধিক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছে।

লুমোস গ্লোবালের প্রতিনিধিরা। 

 

লুমোস গ্লোবালের কর্ণধার হাসান আবদুল গোফরান জানান, অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া এবং পরিবেশ অনেকটাই বাংলাদেশের মত হওয়ায়, আমেরিকা এবং কানাডার চেয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি আগ্রহ বেশী শিক্ষার্থীদের। তাছাড়া, পড়াশোনায় ভালো ফলাফল করলে, অস্ট্রেলিয়াতেই ক্যারিয়ার গড়ারও সুবর্ণ সুযোগ আছে।

 

বুধবারের এ আয়োজনে, শিক্ষার্থীরা অন স্পট  অ্যাসেসমেন্ট করিয়ে, অফার লেটারও দেয়া হয়। তাছাড়া, কোর্স, টিউশন ফি, ক্রেডিট ট্রান্সফার এবং স্কলারশিপ সম্পর্কেও সঠিক এবং বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়।

 

গত ৮ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা নিয়ে কাজ করছে লুমোস গ্লোবাল। বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, চায়না, শ্রীলংকা, মালেয়শিয়া এবং ফিজি-তেও কার্যক্রম পরিচালনা করছে লুমোস গ্লোভাল।

 

শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ হাজারের বেশি কোর্স এবং ২০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপ অফার করে অস্ট্রেলিয়া।