0201251735807594appweb-logo.png
Loading...

নাগরিক সংবাদ


সরকার বিরোধী প্রচারণায় দিনে ৫৫ লাখ টাকার ফেইসবুক বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ। নিজেদের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ থেকে দিনে ৪২০০টি বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে, পতিত স্বৈরাচারের এই দলটি। মাসিক হিসেবে যার আনুমানিক খরচ দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা। 

আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি, নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে এক পোস্টে এ তথ্য জানান 'সাইবার ৯১' পেইজের এডমিন আব্দুল্লাহ আল জাবের হৃদয়। 

হৃদয় আশংকা প্রকাশ করে বলেন, এত বিশাল অংকের বিজ্ঞাপনের ফলে, এফ কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

"এই এডের জন্য সাফার করতেছে আমাদের পুরা এফ-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি- ফেসবুক এত বেশি আওয়ামীলীগের বুস্টিং রিচ করাচ্ছে যে সাধারণ ব্যবসায়ীদের নিজেদের বুস্টিং এর যথাযথ হিসাব পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে!"

ছাত্রদল এবং শিবিরকে উদ্দেশ্য করে পোস্টে তিনি বলেন, "আজকে আমি একটা কথা বলে যাই - ছাত্রদল বলেন, শিবির বলেন, বৈষম্যবিরোধী বলেন- আপনাদের সবার ইন্টার্নাল কামড়াকামড়ির জন্য যদি আওয়ামী লীগ ফিরে আসার সুযোগ পায় - তাহলে মনে রাখবেন আপানরা শুধু নিজেদের কবর রচনা করলেন না - যে শতশত প্রাণ আপনাদের দিকে চেয়ে হাসিনার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল - সেই নিরীহ প্রাণদের কবর রচনা করলেন!

মনে রাখবেন হাসিনা এখনো প্রতিশোধের নেশায় মত্ত! তাই আসুন সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে মতানৈক্য-ভেদাভেদ কমিয়ে আনতে কাজ করি- নাইলে কিন্তু বলতে হবে-

“সময় গেলে সাধন হবে না। দিন থাকিতে দিনের সাধন কেন করলে না।”


ইনজেকশন দিয়ে মেরে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয়া হয় বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনকে। সাবেক সেনা কমকর্তা জিয়াউল আহসানের নির্দেশে এ হত্যাকান্ড ঘটানো হয়। 

আজ নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী। পোস্টে ঢাকা মহানগর ৩৮ (বর্তমান ২৫) নং ওয়ার্ড এর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সুমনকে বন্ধু বলেও সম্বোধন করেন তিনি। 

২০১৩ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে নিখোঁজ হন সুমন।



টুইংকেল ডায়াপারে ব্লেড (ছুড়ি) পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করেছেন নূর-জাহান রুমকি নামের এক মা। নিজের আট মাসের বাচ্চার ব্যবহৃত ডায়াপার পরিবর্তন করতে গিয়ে তিনি এই ব্লেড দেখতে পান।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দেয়া এক ফেইসবুক পোস্টে ভুক্তভােগি মা রুমকি এই অভিযোগ জানান। 'শিশুদের খাবার রেসিপি গ্রুপ' এ তিনি এই পোস্ট দেন। এই গ্রুপটি মূলত, বাচ্চাদের নিয়ে কন্টেন্ট, মতামত এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করার প্ল্যাটফর্ম। 

নূর-জাহান রুমকি লিখেন, 'আজকে সকালে উঠেই এ যেন এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা সম্মুখীন হলাম। আমার ৮ মাসের বাচ্চার ডায়পারে  বড় ছুরি(কাটার) পাওয়া গেছে।।😢

মানুষ কতটা খারাপ হলে বাচ্চাদের এমন একটি সেনসিটিভ পণ্যগুলোতেও এমন কাজ করতে পারে, কিছু দুষ্টু চক্রান্ত মানুষদের হাত থেকে ছোট বাচ্চারা নিস্তার নেই আজকাল। 

"টুইংকেল ডায়াপার" ভালো একটি কোম্পানির জানতাম কিন্তু আজকে তার ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণায় রূপান্তর করে দিল। "টুইংকেল ডায়াপার" থেকেই পেলাম এই বড় ছুরি(কাটার)। এজন্য এক ভয়ংকর দৃশ্য।'


যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলো থেকে বাংলাদেশী যুবক গ্রেফতার। রানা নামের প্রবাসী এ বাংলাদেশীর বাড়ি নোয়াখালীতে। তিনি এ্যাসাইলাম ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। 

ফেইসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানান, প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিক আরিফ হোসেইন

তিনি জানান, জেনেসি ও হারলেম কর্ণারে স্পিডওয়ে গ্যাস স্টেশন থেকে রানা নামে এ যুবককে সকাল ৮ টায় গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ্যাসাইলাম আবেদন বাতিল হওয়ার পর নতুন করে আপিল করে রানা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তার কাজের অনুমতি (ওয়ার্কপারমিট) নেই। রানার বাসা ইস্ট ডেলিভান সংলগ্ন। বর্তমানে সে ইনডিফেন্ট কট্রাক্টর হিসেবে কাজ করছে।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী গ্রেফতারের খবর পাওয়া গিয়েছে। যাদের বৈধ কোন ভিসা নেই। এদের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটিতে ২ জন, ফিলাডেলফিয়াতে ১ জন, আটলান্টাতে একজন আর বাফেলোতে ১ জন ।


দেশকে অস্থিতিশীল করতে ভারতে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের গোপন বৈঠক। সহিংস আন্দোলন বাস্তবায়নে সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে। 

ছবি: মেহের আফরোজ শাওন (সংগৃহীত)

আজ নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানান, বিশিষ্ট সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। যিনি আল জাজিরায় সিনিয়র প্রোডিউসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি জানান, "বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, কলকাতার হোটেল পার্কে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। কারা সে সভায় স্বশরীরে এবং ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়েছিলেন তাদের বিস্তারিত এবং সেখানে গৃহিত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নকারীদের তালিকা দেখুন।" 


হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ডাস্টবিনগুলোতে শেখ হাসিনার ছবি লাগিয়ে দিয়েছে ছাত্রদল। গতকাল ক্যাম্পাসের সবগুলো বিনে তারা এ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে জন-ধিক্কারের শেখ হাসিনার ছবিটি তারা বেছে নেয়।  

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ফেইসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এ খবর জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত একটি পেইজ। 

উল্লেখ্য, বইমেলায় প্রথম শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ডাস্টবিনের প্রচলন আনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। 


দেশ ছেড়ে পালানোর পর এই প্রথম জনসম্মুখে আসল শেখ রেহানার ছবি। যেখানে শেখ রেহানাকে চায়ের কাপ হাতে হাস্যোজ্জ্বল আলাপচারিতায় দেখা যাচ্ছে। দুই হাজারেরও অধিক মানুষ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার লজ্জা, ভয় বা অপরাধবোধ কোনটাই তার চেহারায় পরিলক্ষিত হয়নি। 

ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এবং বড় বোন শেখ হাসিনার সাথে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ রেহানা। তারপর থেকে পলাতক দুই বোনের কোন ছবি বা ভিডিও গণমাধ্যমে আসেনি। 

আরো অনেক এক্সক্লুসিভ সংবাদ প্রকাশের মত এবারও এই ছবিটি প্রকাশ করেন, আল-জাজিরার সিনিয়র প্রোডিউসার  জুলকারনাইন সায়ের। ৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার রাত ১০টায় তিনি এই ছবি তার ফেইসবুক পোস্টে প্রকাশ করেন। 

সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের এর দেয়া তথ্য মতে, ছবিটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে তোলা। ছবিটি দিয়ে পোস্টে জুলকারনাইন মন্তব্য করেন, "এ যেন পিশাচের হাসি"

উল্লেখ্য, শেখ রেহানা ব্রিটিশ নাগরিক। ব্রিটিশ পাসপোর্ট ব্যবহার করে ভারত থেকে লন্ডনে গিয়েছেন তিনি।  


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সদস্য পদ বাতিল করেছিল গুলশান ক্লাব। দন্ড প্রাপ্ত আসামী এবং দেশত্যাগী উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নেন ক্লাবের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রফিকুল আলম হেলাল ও ফাইনান্স পরিচালক এম. এ কাদের অনু। 

১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ সালের এ ঘটনাটি ফেইসবুক এক পোস্টের মাধ্যমে জানান, আল-জাজিরার সিনিয়র প্রোডিউসার  জুলকারনাইন সায়ের। তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এম. এ কাদের অনু'র পক্ষে সরাসরি ক্যাম্পেইন করেছেন বিএনপি'র কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। অভিযোগের পক্ষে বেশ কিছু দালিলিক প্রমাণও পোস্টে সংযুক্ত করেন জুলকারনাইন সায়ের। 

এ ঘটনার আপডেট হচ্ছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর গুলশান ক্লাবের ১৪তম বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করে তারেক রহমানের সদস্যপদ পুনঃবহাল করা হয়।


শুধুমাত্র একটি বিদ্যুৰ উৰপাদন কেন্দ্র থেকে প্রতি মাসে আট লাখ টাকা নিতেন শেখ হাসিনার প্রটৌকল অফিসার আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। তার স্ত্রী ডা.জাহানারা আরজুর নামে আলাদা চেকে জমা হত সমপরিমাণ বা তার অধিক অর্থ। স্বামী- স্ত্রী দু'জনেরই শেয়ার ছিল এস আলমের মালিকানাধীন এস এস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেডে।  

আজ নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক প্রোফাইলে এক পোস্টের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান, আলা-জাজিরার সিনিয়র প্রোডিউসার  জুলকারনাইন সায়ের। তিনি মন্তব্য করেন, প্রটােকল অফিসার পদের প্রভাব খাটিয়ে গত দেড় দশকে বিদ্যুৱ খাতে লুটপাটের মহোৱসব চালিয়েছেন আলাউদ্দি আহমেদ চৌধুরী নাসিম। 



এই পোস্টের বিস্তারিত পড়তে এইখানে ক্লিক করুন।