0201251735807594appweb-logo.png
Loading...

ঢালিউড


কয়েক দিন পরই ঈদ। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উৎসবে মুক্তির অপেক্ষায় আছে একাধিক সিনেমা। তালিকায় রয়েছে শাকিব খান-ইধিকা পাল অভিনীত ‘বরবাদ’, আফরান নিশো-তমা মির্জা অভিনীত ‘দাগি’, সিয়াম আহমেদ-শবনম বুবলী-দীঘির ‘জংলি’, আব্দুন নূর সজল-নুসরাত ফারিয়ার ‘জ্বীন-৩’, মোশাররফ করিম-রিকিতা নন্দিনীর ‘চক্কর ৩০২’। 

সিনেমাগুলো নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেশ। এরই মধ্যে জমে উঠেছে প্রচারণা, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। টিজার, ট্রেলার, গান মুক্তি দিয়ে সংশ্লিষ্টরা ঈদের সিনেমা নিয়ে দর্শক আগ্রহ তৈরি করতে ব্যস্ত। এদিকে সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ডের ছাড়পত্র ছাড়াই, সিনেমাগুলো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রচারণা চলছিল। 

এ নিয়েও একটি সংশয় কাজ করছিল, সঠিক সময়ে সিনেমাগুলো মুক্তি পাবে তো? তবে এ সংশয় কেটে গেছে। এরই মধ্যে ‘দাগি’, ‘জংলি’, ‘জ্বীন-৩’ ও ‘চক্কর ৩০২’ সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে দিন কয়েক আগে। ২৫ মার্চ বিকালে ভায়োলেন্সের কিছু দৃশ্য কর্তন সাপেক্ষে ‘বরবাদ’ও ছাড়পত্র পেয়েছে।

আফরান নিশো ও তমা মির্জা অভিনীত সিনেমা ‘দাগি’ নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন। সার্টিফিকেশন বোর্ড কর্তৃক ‘ইউ’ গ্রেডে সনদপত্র পেয়েছে সিনেমাটি। তার মানে, এটি সব বয়সি দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত। ভাগ্য ও পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে সিনেমাটি, এমনটাই বলেছেন নির্মাতা। 

এদিকে মুক্তি আর প্রায়শ্চিত্তের গল্পের এ সিনেমা দিয়ে প্রায় দেড় বছর পর প্রেক্ষাগৃহে আসছেন নিশো-তমা জুটি। তাদের সঙ্গে আরও রয়েছেন অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল।

‘জংলি’ সিনেমাটি নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ অনেক। প্রায় এক বছর ধরেই সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা চলছে। এর আগেও এটি মুক্তির দিনক্ষণ ঠিক করেও মুক্তি পায়নি। সিয়াম-বুবলী ও দীঘিকে নিয়ে সিনেমাটি বানিয়েছেন এম রাহিম। এটিও বিনাকর্তনে ইউ গ্রেডে ছাড়পত্র পেয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের সিনেমা হিসাবে প্রথম বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে এটি। পাশাপাশি সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্যরা এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সিয়ামের অভিনয় তাদের মুগ্ধ করেছে। নির্মাতার আশা, সিনেমা হলে দর্শকদের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ করতে পারবে। 

এ সিনেমা নিয়ে এরই মধ্যে প্রচারণায় ব্যস্ত শিল্পীরা। এ প্রসঙ্গে সিয়াম বলেন, ‘সিনেমাটির জন্য অনেক পরিশ্রম করেছি। অনেক কষ্ট করে আমরা ভালো একটা কিছু তৈরি করেছি। আর মাত্র কয়েকদিন পরই এটি দর্শকের জন্য মুক্তি দেওয়া হবে। আশা করি, সবাই দেখতে আসবেন, আপনাদের অপেক্ষায় গোটা জংলি টিম।’

এদিকে ঈদের সিনেমা মুক্তির দৌড়ে রয়েছে ভৌতিক ঘরানার সিনেমা ‘জ্বীন-৩’। এটিও ‘ইউ’ গ্রেডে ছাড়পত্র পেয়েছে। কামরুজ্জামান রুমানের পরিচালনায় এতে জুটি বেঁধেছেন আব্দুন নূর সজল ও নুসরাত ফারিয়া। এ সিনেমা দিয়ে সাত বছর পর জাজ মাল্টিমিডিয়ার ঘরে ফিরলেন এ নায়িকা। 

এ সিনেমার ‘কন্যা’ শিরোনামের একটি গান এরই মধ্যে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। সিনেমাটি প্রসঙ্গে সজল বলেন, ‘এটি হরর সিনেমা হলেও বিনোদনে ভরপুর। অ্যাকশন, রোমাঞ্চ সবই আছে। পরিবার নিয়ে দেখার মতো একটি সিনেমা। কন্যা গানটির জন্য দারুণ সাড়া পাচ্ছি। দেশ-বিদেশের অনেকেই প্রশংসা করছেন। আমার বিশ্বাস, গানের মতো সিনেমাটি নিয়েও দর্শক সন্তুষ্টি প্রকাশ করবেন।’

এদিকে নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমকে নিয়ে কয়েক বছর আগেই নির্মিত হয়েছে ‘চক্কর ৩০২’ নামে একটি সিনেমা। নির্মাণ করেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা শরাফ আহমেদ জীবন। এটি বছরখানেক আগেই ছাড়পত্র পেয়েছে। 

তাই এবার আর এ বিষয়ে তাদের বেগ পেতে হয়নি। ঈদের সিনেমা হিসাবে এটিও দর্শকদের পছন্দের তালিকায় থাকবে বলে দাবি নির্মাতার। এরই মধ্যে সিনেমাটির প্রচারণা চলছে, মুক্তি পেয়েছে এর একটি গান। এতে মোশাররফ করিমের সঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করেছেন রিকিতা নন্দিনী শিমু।
 


আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসা পেয়েছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। আজ নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান।

ভিডিওতে দেখা যায়, শাকিব খান কিছু ডকুমেন্টসে স্বাক্ষর করছেন। এসময় তার পাশে ছিলেন আরব আমিরাতের কয়েকজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি। 

এটাকে গোল্ডেন রেসিডেন্সিও বলা হয়, যা কিনা আমিরাত সরকারের একটি বিশেষ কর্মসুচি। এর বাহকরা আলাদা মর্যাদা পান দেশটিতে।  যদিও বিনিয়োগ, ব‍্যবসাসহ নানা ক্ষেত্রে বহু প্রবাসী ভারতীয় ও বাংলাদেশী গোল্ডেন রেসিডেন্সি পেয়েছেন এরিমধ‍্যে।  ভারত থেকে অভিনেতা ও সুপার স্টার রজনীকান্ত, শাহরুখ খান, সঞ্জয় দত্ত ও টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসা পেয়েছেন। 

গোল্ডেন ভিসা প্রাপ্তরা আমিরাতের নাগরিক না হলেও শিক্ষা, চিকিৎসা, ব‍্যবস‍া, সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান, বিমানবন্দরে প্রিভিলেজসহ নানা সুবিধা পান। 


ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বাংলার পুরস্কারের আগে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ফিল্মফেয়ার গ্ল্যামার অ্যান্ড স্টাইল অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’।

সোমবার (১৭ মার্চ) কলকাতার জে ডব্লিউ ম্যারিয়ট হোটেলে বসে চলচ্চিত্র জগতের স্টাইলিশ-গ্ল্যামারাস আর্টিস্টদের আসর।
প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত হন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। এদিন ‘ট্র্যাডিশনাল কুইন অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

পুরস্কার প্রাপ্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুখবরটি অনুরাগীদের কাছে ভাগ করে নেন জয়া। নিজের অনুভূতি শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘এই পুরস্কার পেয়ে আমি ভীষণ খুশি। ফিল্মফেয়ার সবসময় আমাকে বিশেষ অনুভূতি দিয়েছে, এবারের পুরস্কার আমার দীর্ঘ যাত্রায় একটি নতুন সংযোজন হয়ে থাকবে।’

এদিন সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও যোগ করেন জয়া। তাকে নানা ভঙ্গিতে অ্যাওয়ার্ড হাতে নিয়েও পোজ দিতে দেখা যায়। সঙ্গে তার রূপ-সাজ বরাবরের মতোই মুগ্ধ করেছে সকলকে।

এদিন জয়া পরেছিলেন একটি অলিভ রঙের সাইনি সিল্ক হাই স্লিট গাউন। তার টেনে বাধা চুল আর হালকা গয়নায় জয়ার গ্ল্যামার এতোটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে, অভিনেত্রীর কাছ থেকে নজর এড়ানোই কঠিন হয়ে পড়ে।

ভারতের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় তারকারা এই অনুষ্ঠানে তাদের ফ্যাশনের ঝলক দেখিয়েছেন। অনেকের মধ্যে বেশ কিছু জনপ্রিয় তারকা তাদের স্টাইল এবং গ্ল্যামারের জন্য হয়েছেন সম্মানিত।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সম্মাননা ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস। বলিউডের পাশাপাশি টলিউডেও ‘ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস বাংলা’ দেওয়া হয়। ‘ভূতপরী’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন জয়া আহসান। টানা সাতবার মনোনয়নের সঙ্গে জয়া পেয়েছেন চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।
 


তারকা, পরিচালক, প্রযোজকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে ঢালিউড নায়িকাদের ছবিপ্রতি পারিশ্রমিকের একটা হিসাব জানা যায় ।কারও পারিশ্রমিক ৩–৫ লাখ, কারও আবার ১০–১৫ লাখ। একসময় কারও পারিশ্রমিকের অঙ্কটা ১৫–২০ লাখের ঘরে থাকলেও জনপ্রিয়তার নিরিখে এখন তা কমে এসেছে।

জয়া আহসান

একাধিক সূত্রে জানা গেছে,জয়া আহসান অভিনয়জীবনের শুরুতে সিনেমায় তাঁর পারিশ্রমিক ছিল ৬ থেকে ১০ লাখ টাকা। জনপ্রিয়তার সঙ্গে বাড়তে থাকে পারিশ্রমিকের অঙ্কও। প্রযোজক-পরিচালকেরা জানিয়েছেন, দেশের সিনেমায় জয়া কখনো ১৫ আবার কখনো ২০ লাখ টাকা পান। ক্ষেত্রবিশেষে এই অঙ্ক কমবেশি হয়। পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় জয়ার পারিশ্রমিক কত, তা জানা যায়নি।

অপু বিশ্বাস

 জনপ্রিয়তার কারণে অপু বিশ্বাস একটা সময় ১৫–২০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক হাঁকিয়েছেন। এখন তাঁর নায়িকা ক্যারিয়ারে ভাটা পড়েছে। তবে বিভিন্ন পণ্যপ্রতিষ্ঠানের প্রচারণায় তিনি ব্যস্ত, চাহিদাও আছে। এই নায়িকার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির নাম ‘ছায়াবৃক্ষ’, যাতে অপুর পারিশ্রমিক ছিল চার–ছয় লাখ টাকা।

তমা মির্জা
 
দেড় দশক আগে তমা মির্জা চলচ্চিত্রে অভিষেক।  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তমা মির্জা এখন ছবিপ্রতি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ১০–১৫ লাখ টাকা। সর্বশেষ একটি চলচ্চিত্রে ১২ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। তবে ছবিভেদে টাকার অঙ্ক ওঠানামা করে।

শবনম বুবলী

জীবনের প্রথম সিনেমায় এই নায়িকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ৫ লাখ টাকা; প্রযোজক-পরিচালক সূত্রে তেমনটাই জানা গেছে। কয়েক বছর ধরে বুবলী সমানতালে চলচ্চিত্রে কাজ করছেন। ওটিটিতেও তাঁর একাধিক চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। ঈদে ‘জংলি’ ও ‘পিনিক’ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছবিপ্রতি বুবলী পারিশ্রমিক নিচ্ছেন ৬–১০ লাখ টাকা।

বিদ্যা সিনহা মিম

মডেলিংয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন মিম।  মিম যেসব প্রযোজক-পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাঁদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, ছবিপ্রতি ১৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেন মিম। তবে ক্ষেত্রবিশেষে তা ওঠানামাও করে।

নুসরাত ফারিয়া
 
নুসরাত ফারিয়ার ছবির প্রযোজক ও পরিচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো ছবিতে তিনি ১০ লাখ, কোনোটিতে ১২ লাখ, আবার কোনোটিতে ১৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক চেয়ে থাকেন। মাঝখানে ১০ লাখ টাকার কমেও ছবিতে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন এই নায়িকা।

পরীমনি
 
জনপ্রিয়তার নিরিখে ছবিপ্রতি পরীমনির সম্মানীও বেড়েছে। দেশে তিনি সর্বোচ্চ ২২ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন ‘অ্যাডভেঞ্চার সুন্দরবন’-এ। এর বাইরে আরও কয়েকটি ছবিতেও তিনি ২২ লাখ টাকা সম্মানী নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন পরীমনি নিজেই।তবে ক্ষেত্রবিশেষে এর কমেও অনেক প্রযোজক-পরিচালকের ছবিতে কাজ করে দিয়েছেন। দেশে ২২ লাখ টাকা সম্মানী নিলেও দেশের বাইরে থেকে তার চেয়েও বেশি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। ‘ফেলুবক্সী’ ছবিতে পরীমনির পারিশ্রমিক ছিল ২৮ লাখ। 

পূজা চেরী

জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে তৈরি ‘নূরজাহান’ ছবিতে কাজ করার সময় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাসিক বেতন পেতেন পূজা। প্রতিষ্ঠানটির একটি সূত্র জানিয়েছে, বেতনের হিসাবে এই নায়িকার পারিশ্রমিক ছিল তিন লাখের মতো। পূজা এখন ছবিপ্রতি ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেন। তবে গল্প কিংবা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বোঝাপড়া ভালো হলে আট লাখ টাকায়ও কাজ করেন।

দীঘি

 নায়িকা হিসেবে দীঘি তাঁর প্রথম দিককার ছবি ‘তুমি আছো তুমি নেই’–তে পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন তিন লাখ টাকা। সামনের ঈদুল ফিতরে তাঁকে ‘জংলি’ সিনেমায় দেখা যাবে। জানা গেছে, এ ছবিতে দীঘির পারিশ্রমিক ছিল ৪–৫ লাখের মধ্যে। 


রমজানের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

 

রাজধানীর গাবতলী, আগারগাঁও এবং মহাখালীর আশপাশের এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রিজন ভ্যানের মাধ্যমে ইফতার বিতরণ করছে এই অভিনেতার প্রতিনিধিরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিপজল নিজেই।

সোমবার বিকেলে ডিপজল তার ফেসবুকে ইফতার বিতরণের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। দ্বিতীয় দিনের মতো ইফতার বিতরণ কার্যক্রম চলছে, ইনশাআল্লাহ পুরো রমজানজুড়ে অব্যাহত থাকবে। দোয়া ও সহযোগিতা কাম্য।’

এদিকে, কিছুদিন আগেই গাইবান্ধার তালুক রিফাইতপুর স্টেশন বাদিয়াখালীতে ডিপজলের মা মরহুমা হাজী জবেদা বেগমের নামে মাদানিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের কাজ শেষ হয়েছে। মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর সেখানে একটি মাদ্রাসার কাজ চলছে। আর মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন খল-অভিনেতা নিজেই।

 


একটি সংলাপ কতটা আবেগী হতে পারে, বিষাদে ভরিয়ে দিতে পারে দর্শক-মন, তার আরেকটি উদাহরণ নতুন করে উঠে এসেছে নেট দুনিয়ায়। ‘চাচা, হেনা কোথায়?’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত সংলাপ। কিছুদিন আগেও হঠাৎই একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমার বকুল চরিত্রের অভিনেতা বাপ্পারাজ হেনার খোঁজে টাঙ্গাইলে। সিনেমার মতোই দৌড়ে এসে বাপ্পারাজ নাঈমের সামনে দাঁড়ান, এই অভিনেতার মুখে শোনা যায়, ‘নাঈম ভাই, হেনা কোথায়?’

নাঈম বলেন, ‘হেনার সঙ্গে অনেক আগেই আমার বিয়ে হয়ে গেছে।’ ‘না’ বলে বাপ্পারাজকে জড়িয়ে ধরেন সান্ত্বনা দেন নাঈম। পরে দেখা যায়, গান গাইতে গাইতে হেনা চরিত্রের শাবনাজ হাজির। মজা করে মুঠোফোনের ক্যামেরার ধারণ করা এই ভিডিও আবার ভাইরাল হয়।

এসব মজার ঘটনা নিয়েই গতকাল টেলিপ্যাব (টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) আয়োজিত পিকনিক ও আনন্দ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে কথা বলেন নাঈম।

এই অভিনেতা বলেন, ‘বাপ্পা, ওমর সানীসহ আমাদের সেই সময়ের সবার সঙ্গে নিয়মিতই দেখা হয়, আড্ডা হয়। এবার যখন বাপ্পাসহ আরও অনেকে টাঙ্গাইলে আমাদের গ্রামের বাড়িতে আসেন, তখন যথারীতি আমাদের গ্রামের বাড়ির বাগানে চা খাচ্ছিলাম, মজা করছিলাম। ওমর সানী পেছন থেকে ভিডিও করছিল। সব সময়ই নানা মজার ঘটনা ঘটে। আড্ডার মাঝে আমার মেয়ে নামিরা জানায়, বাপ্পা আর আমাকে একটা অনুরোধ রাখতে হবে। মেয়ের আবদার তো রাখতেই হবে। বাপ্পা তখন জানতে চায়, ‘কী মা বলো?”

নাঈম বলেন, ‘বাপ্পা তখন জানতেন না কী হতে যাচ্ছে। পরে নামিরার কাছে সব শুনে, সবার তো চোখ কপালে। হেনার যে অংশ ভাইরাল হয়েছে, সেই অংশ অন্যভাবে অভিনয় করে দেখাতে হবে। এখানে এবার নাঈমকেও থাকতে হবে। এই ভাইরালের যুগে এসব করলে মানুষ কি বলবে। সেই ভাবনা সবার মাথায় ছিল। ‘মেয়ের কথা রাখতে গিয়েই, ভিডিওতে অংশ নিলাম। ওরাই সব ঠিক করল। আমাকে গাছের সঙ্গে হেলিয়ে তারা দাঁড় করিয়ে দিল। পরে আমার কাছে দৌড়ে বাপ্পা আসে। ডায়ালগ দিতে হয়। সেটা আপনারা ভিডিওতে দেখেছেন। মেয়ের ইচ্ছা পূরণ করতে বাপ্পাকে জড়িয়ে ধরি, শাবনাজ এসে নাচে। এটাও পরে দেখি ভাইরাল। আমরা ইচ্ছা করে ভাইরাল করব এমন চিন্তা ছিল না। অল্প সময়েই মধ্যেই ভিডিও করা। তবে বুঝতে পেরেছি দর্শকেরা এখনো আমাদের ভালোবাসেন। তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা।’

নাঈদের কথায়, “একটা সিনেমা তো একজন বানায় না। নির্মাতা, শিল্পী, কলাকুশলীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটা ভালো সিনেমা নির্মাণ হয়। আজ থেকে ২৮ বছর আগের সিনেমার একটি ডায়লগ যে এভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে সেটা আমাদের কারও জানা ছিল না। এটা শুধু বাংলা দেশে না, অভিনেতা গাব্বার সিং, শাহরুখ খানসহ অনেক অভিনেতা ডায়লগ কমবেশি সবাই আমরা জানি। একটি ডায়ালগ দিয়ে পুরনো একটি ছবি নতুন প্রজন্মের কাছ পরিচিত অর্জন করেছে। ভালোলাগার বিষয় হল- ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমার ‘হেনা কোথায়’ নিয়ে বাপ্পারাজ ও শাবনাজের সিনেমার যেভাবে প্রচার ঘটেছে তা অবশ্যই প্রসংশার দাবিদার। আমি মনে করে তারাই প্রকৃতশিল্পী।”


সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বেশিরভাগ ফান্ড শিল্পীদের উন্নয়নে ব্যবহার না করে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করেছিলো বিগত সরকার। এমনটা জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ফকির লালন সাঁইজির ২৫০তম আবির্ভাব বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনারে একথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের কালচারের একটি উল্লেখযোগ্য পাঠ বাউল ও সুফি গান। প্রকৃত শিল্পীদের উন্নয়নে কাজ করে যাবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। সামনে বাউল ও সুফি শিল্পীদের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সামনে শিল্পীদের রাজনৈতিক কাজে ব্যবহারের আর কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। পরর্তীতে যারা সরকারে আসবে তারাও রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করবে না এমনটাই জানান উপদেষ্টা।


তিন বছর আগে মতিঝিলে অবস্থিত ঢাকার অন্যতম প্রাচীন প্রেক্ষাগৃহ মধুমিতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছিল। এবার ঐহিত্যবাহী এ সিনেমা হল বন্ধের খবর এলো। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) মধুমিতা হলের মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

আগামী রোজার ঈদে সিনেমা চালানোর পর হলটি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। রাজধানীর ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার এ সিনেমা হলে বন্ধ হলেও, এখানে নতুন ভবনে মাল্টিপ্লেক্স থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন ইফতেখার নওশাদ। মধুমিতা সিনেমা হল উদ্বোধন হয় ১৯৬৭ সালের ১ ডিসেম্বর। বর্তমানে সিনেমা হলটি বন্ধ আছে।

তিনি বলেন, কোটি টাকা দিয়ে হলের মানোন্নয়ন করেছিলেন, কিন্তু কোনো সিনেমা চলে না। শুধু শাকিব খানের সিনেমা চলে। তার সিনেমাই ব্যবসা করে। দীর্ঘদিন ধরে একাই টিকিয়ে রেখেছেন সিনেমা হলের ব্যবসা। আসছে ঈদের উৎসবে মধুমিতায় সিনেমা চালিয়ে হল বন্ধ রাখব। তবে এখানে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন হলে মাল্টিপ্লেক্স থাকবে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

ইফতেখার বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেছি হলটি চালু রাখতে। কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই বন্ধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। নতুন ভবনে মাল্টিপ্লেক্স করার ইচ্ছে আছে। দেখা যাক কতটা কী করতে পারি।’


সেরা ফিচার ফিল্ম পুরস্কার পেয়েছে ফ্রান্সের সিনেমা 'কুমভা' (হুইচ কাম ফ্রম সাইলেন্স), যার পরিচালক সারাহ মালেগোল। সেরা পরিচালক পুরস্কার পেয়েছে আগুস্টিনা সানচেজ গ্যাভিয়ের। সিনেমার নাম 'নুয়েস্ত্রা সোমব্রা' (আওয়ার ওউন শেডো)। সিনেমাটি আর্জেন্টিনা ও জার্মানির যৌথ প্রযোজনা।

ছবি: আয়োজকদের সৌজন্যে।

স্পিরিচুয়াল ফিল্ম সেকশনে সেরা শর্ট ফিল্ম পুরস্কার পেয়েছে লুইস ক্যাম্পোস পরিচালিত পর্তুগালের সিনেমা 'মন্টে ক্লেরিগো'। স্পেশাল মেনশন পুরস্কার পেয়েছে ভারতের সিনেমা 'স্বাহা' (ইন দ্য নেম অব ফায়ার)। সিনেমার পরিচালক অভিলাষ শর্মা। সেরা ফিচার ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড জিতেছে ইভান সোসনিন পরিচালিত রাশিয়ার সিনেমা 'প্রিশেলেক' (দ্য এলিয়েন)

বাংলাদেশ প্যানোরামা ট্যালেন্ট সেকশনে তিনটি সিনেমা পুরস্কৃত হয়েছে। সেরা চলচ্চিত্র (ফিপরেস্কি জুরি) হয়েছে মনন মুনতাকা পরিচালিত 'আ লেজি মুন' সিনেমা। ফার্স্ট রানারআপ হয়েছে আসিফ ইউ হামিদ পরিচালিত 'ফুলেরা পোশাক পরে না' (ডিফাই) এবং সেকেন্ড রানার আপ হয়েছে মোবারক হোসেন পরিচালিত 'পৈতৃক ভিটা' (হেরেডিটারি হোমস্টেড)।

এছাড়াও বাংলাদেশ প্যানোরমা পূর্ণ দৈর্ঘ্য বিভাগে সেরা চলচ্চিত্র (ফিপরেস্কি জুরি) হয়েছে মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত 'প্রিয় মালতী' সিনেমা। সিনেমার পরিচালক শঙ্ক দাশ গুপ্ত। এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশন সেকশনে সেরা চিত্রনাট্য পুরস্কার পেয়েছে তাকাতো নিশি ও নোরিকো ইউওসা। তাদের জাপানি সিনেমা 'পারফর্মিং কাওরু’স ফিউনারেল' সিনেমার জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন।

সেরা চিত্রগ্রাহক পুরস্কার পেয়েছেন দিলসাত কানন। তুরস্কের 'ডেমো কে পেলে গোজান বেনি জের' (হোয়্যান দ্য ওয়ালনাট লিভস টার্ন ইয়েলো) সিনেমার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন। সেরা অভিনেত্রী পুরস্কার পেয়েছেন ডিমেন জান্ডি। ইরান ও তাজিকিস্তানের যৌথ প্রযোজনার সিনেমা 'মেলডি'তে অভিনয় করে সেরার পুরস্কার পেয়েছেন।

সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন রায়ান সারলক। ইরানি সিনেমা 'তাবেস্তান-ই হামান সাল' (সামার টাইম) এর জন্য পুরস্কার পেয়েছেন। এই সিনেমার জন্য বিশেষ মেনশন পুরস্কার পেয়েছেন পরিচালক মাহমুদ কালারি। সেরা পরিচালক পুরস্কার পেয়েছেন চীনা পরিচালক হাওফেং শু ও জুনফেং শু। তার সিনেমার নাম 'ম্যান কিয়ান বাও দি' (১০০ ইয়ার্ডস)। সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছে শোকির খলিকভ পরিচালিত উজবেকিস্তানের সিনেমা 'ইয়াকশানবা' (সানডে)।

রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’- স্লোগান সামনে রেখে গত ১১ই জানুয়ারি পর্দা উঠেছিল ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। ঢাকার ৫টি ভেন্যুতে ৯ দিনব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন ৪৪ জন বিদেশি প্রতিনিধি।

উৎসবে চীন ও বাংলাদেশের ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্কের উদযাপন লক্ষ্যে এবার উৎসবের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল সেকশনটি চীনা চলচ্চিত্রের জন্য উৎসর্গ করা হয়। এর সাথে জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তন করিডরে চীনা চলচ্চিত্র পোস্টার এক্সিবিশনের বিশেষ আয়োজন করা হয়।

দুই দিনব্যাপী 'সিনেমায় নারী' শীর্ষক সম্মেলন ছিল উৎসবের একটি বিশেষ আকর্ষণ। এবার তৃতীয় বারের মতো আয়োজন করা হয় মাস্টারক্লাসের। বাংলাদেশসহ সার্বিয়া, চীন ও নরওয়ের চলচ্চিত্র বোদ্ধাগণ মাস্টারক্লাসটি পরিচালনা করেন। এটি তত্ত্বাবধান করেন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র সমালোচক বিধান রিবেরু। এছাড়া এবার প্রখ্যাত রাশিয়ান চলচ্চিত্র পরিচালক আলেক্সেই ফেদোরচেনকোর 'রেট্রোস্পেকটিভ' আয়োজন করা হয়।
 


বর্তমানে আইসিইউতে রয়েছেন সাইফ আলী খান। কয়েকদিন আগেই বাড়িতে প্রবেশ করে মধ্যরাতে ছুরিকাঘাত করা হয় বলিউডের এই অভিনেতাকে। দুর্বৃত্তের এ হামলায় গুরুতর জখম হয়ে পড়েন অভিনেতা। পরে মুম্বাইয়ের লীলাবতি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। 

ছবি: এআই দিয়ে তৈরি ভাইরাল ছবি।

সাইফের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তার কাছে পরিবারের সদস্য ছাড়া কাউকে যেতে দেয়া হয়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা গেছে―বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান, সালমান খান ও বিরাট কোহলির মতো দাপুটে তারকারা হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেছেন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন সাইফ। মন খারাপ। আর তার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাকে দেখতে যাওয়া অভিনেতারা।

এসব ছবি ছড়িয়ে পড়তেই জানা যায়, ছবিগুলো আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই), অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এসব ছবিই ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এবার ভাইরাল হওয়া সেই ছবিগুলোর পোস্টের নিচে একজন শাকিব খান ভক্ত মন্তব্য করেছেন, এআই দিয়ে সাইফের পাশে শাকিব খানকে নিয়ে যাওয়া যায় না? এ মন্তব্যের পরই সেখানে একজন এআই দিয়ে শাকিব খানকে সাইফের কাছে নিয়ে যাওয়ার ছবি পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যায়, সাইফকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন ঢালিউড তারকা শাকিব খান। যা শুধুই এআই দিয়ে তৈরি।

বলি তারকার ওপর ছুরিকাঘাতের হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি শরীফ উল ইসলাম শেহজাদ নামের একজনকে এরইমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে।