0201251735807594appweb-logo.png
Loading...

ঈদ শপিং এ কৌশলী হোন ঢাকার সস্তার মার্কেটগুলো ঘুরে আসুন


  • 0112241733050992facebook.png
  • 0112241733051074icon-linkedin.png
  • 0112241733051118icon-twitter.png
  • 0312241733211435icon-instagram.png
  • 0312241733211479icon-youtube.png

ঢাকায় ঈদ উপলক্ষে কম দামে ভালো মানের পোশাক কেনার জন্য বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেট রয়েছে

বাংলাদেশের ঈদ শপিং শুধু কেনাকাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি একটি আনন্দঘন উৎসব। রাস্তায় মানুষের ভিড়, মার্কেটগুলোর আলোকসজ্জা এবং বিভিন্ন পণ্যের অফার সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সময়ের সাথে সাথে অনলাইন শপিংয়ের প্রবণতা বাড়লেও, সরাসরি দোকানে গিয়ে কেনাকাটার উন্মাদনা এখনো কমেনি। ঈদ আসলেই কেনাকাটার ধুম পড়ে যায়, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে

গাউছিয়া মার্কেট
গাউছিয়া মার্কেট ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় শপিং সেন্টার, যেখানে মহিলাদের পোশাকের বিপুল সমাহার রয়েছে। এখানে জামদানি শাড়ি, থ্রি-পিস, লুঙ্গি, টুপি, ওড়না, সুতি কাপড়সহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক পাওয়া যায়। মঙ্গলবার পুরো দিন এবং বুধবার অর্ধেক দিন এই মার্কেট বন্ধ থাকে। 
 

কেন জনপ্রিয়?

মেয়েদের জন্য শাড়ি, থ্রি-পিস, কুর্তি ও বাচ্চাদের পোশাক

দরদাম করে কেনার সুযোগ

ব্যস্ত মার্কেট, ঈদের আগে প্রচুর ভিড় হয়

যাতায়াত ব্যবস্থা:

বাস: যেকোনো বাস যেটি আজিমপুর, নিউমার্কেট বা শাহবাগ যায়, তা দিয়ে নামতে পারেন।

রিকশা/সিএনজি: শাহবাগ, ধানমন্ডি বা ফার্মগেট থেকে সহজেই যাওয়া যায়।

মেট্রোরেল: বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন থেকে নেমে রিকশায় নিউমার্কেটে পৌঁছানো যাবে।




নিউ মার্কেট

আজিমপুরের উত্তরাংশে মিরপুর রোডে অবস্থিত নিউ মার্কেট ঢাকার অন্যতম ব্যস্ততম মার্কেট। এখানে তৈরি পোশাক, প্রসাধনী সামগ্রী থেকে শুরু করে ঘরের যাবতীয় জিনিস পাওয়া যায়। মঙ্গলবার সারা দিন এবং বুধবার অর্ধদিবস এই মার্কেট বন্ধ থাকে।

কেন জনপ্রিয়?

ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্য পোশাক

জুতাসহ আনুষঙ্গিক পণ্যও পাওয়া যায়

পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা একই জায়গায়

যাতায়াত ব্যবস্থা:

বাস: আজিমপুর, শাহবাগ, ফার্মগেট বা মিরপুর থেকে বাস পাওয়া যায়।

মেট্রোরেল: কাঁটাবন স্টেশন থেকে রিকশা নিয়ে সহজে যাওয়া যাবে।

রিকশা/সিএনজি: ধানমন্ডি, বাংলামোটর, শাহবাগ থেকে সহজেই যাওয়া যায়।


মৌচাক মার্কেট

মালিবাগে অবস্থিত মৌচাক মার্কেট একটি ঐতিহ্যবাহী শপিং সেন্টার। এখানে শাড়ি, থ্রি-পিস, বাচ্চাদের পোশাকসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক পাওয়া যায়। এই মার্কেট বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে।
 

কেন জনপ্রিয়?

মধ্যবিত্তদের জন্য আদর্শ মার্কেট

মেয়েদের জন্য শাড়ি, থ্রি-পিস ও বাচ্চাদের পোশাক পাওয়া যায়

তুলনামূলক কম ভিড়

যাতায়াত ব্যবস্থা:

বাস: মালিবাগ মোড়গামী বাস ধরে মৌচাকে নামতে হবে।

রিকশা/সিএনজি: মতিঝিল, গুলিস্তান, পল্টন থেকে খুব সহজেই যাওয়া যায়।
 

নূরজাহান মার্কেট

নূরজাহান মার্কেট কম দামে ব্র্যান্ডের পোশাকের জন্য পরিচিত। এখানে ছেলে, মেয়ে ও শিশুদের পোশাক পাওয়া যায়। অনেক ক্রেতা এখানে একটি পোশাক কিনতে এসে কম দামের কারণে একাধিক পোশাক কিনে নেন।

কেন জনপ্রিয়?

ব্র্যান্ডের রিজেক্ট পোশাক কম দামে পাওয়া যায়

ছেলেদের পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, শার্টের জন্য বিখ্যাত

যাতায়াত ব্যবস্থা:

বাস: মিরপুর-১ বা মিরপুর-১০ গামী বাস ধরে নেমে যেতে পারবেন।

মেট্রোরেল: মিরপুর-১০ স্টেশন থেকে রিকশায় যাওয়া সহজ।

রিকশা/সিএনজি: মিরপুরের অন্যান্য এলাকা বা গাবতলী থেকে যাওয়া যায়।



আজিজ সুপার মার্কেট

আজিজ সুপার মার্কেট দেশীয় পণ্যের সমাহার নিয়ে পরিচিত। এখানে ছেলেদের পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, ফতুয়া, মেয়েদের শাড়ি, জামা, থ্রি-পিস, ব্যাগ ইত্যাদি পাওয়া যায়।

কেন জনপ্রিয়?

ট্রেন্ডি ও ডিজাইনার পোশাকের জন্য জনপ্রিয়

বুটিক স্টাইল পোশাক পাওয়া যায়

যাতায়াত ব্যবস্থা:

বাস: শাহবাগ বা বাংলামোটর গামী বাস ধরতে হবে।

মেট্রোরেল: কারওয়ান বাজার স্টেশন থেকে রিকশায় যাওয়া যাবে।

রিকশা/সিএনজি: ফার্মগেট, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি থেকে সহজেই যাওয়া যায়।

হকার্স মার্কেট

ধানমন্ডি হকার্স মার্কেটের ফুটপাতে ল্যাগিন্স, জ্যাগিন্স, মেয়েদের ওয়ানপিস জামা, শিশুদের পোশাক সস্তায় পাওয়া যায়। দেখে-শুনে দরদাম করে কিনতে পারলে ভালো মানের পণ্য পাওয়া যায়।

ঈদের কেনাকাটায় কম দামে ভালো মানের পোশাকের জন্য এই মার্কেটগুলোতে ভ্রমণ করতে পারেন। তবে, কেনাকাটার সময় পণ্যের গুণগত মান যাচাই এবং দরদাম করার বিষয়টি মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

কেন জনপ্রিয়?

স্টাইলিশ পোশাকের জন্য বিখ্যাত

টিনএজারদের জন্য দারুণ কালেকশন

যাতায়াত ব্যবস্থা:

বাস: ধানমন্ডি ২৭ নাম্বার গামী বাস ধরতে হবে।

রিকশা/সিএনজি: ধানমন্ডির যেকোনো জায়গা থেকে সহজেই যাওয়া যায়।


 



Leave a comment


Please note, comments must be approved before they are published

ozEGbPFPJAkfSQLSSLT


ozEGbPFPJAkfSQLSSLT


View all comments